মেনু নির্বাচন করুন
জেলা প্রশাসক

জেলা প্রশাসক, সুনামগঞ্জ

প্রায় এক দশক আগে গৃহীত ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন এখন বাস্তব। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দশটি অগ্রাধিকার প্রকল্পের তৃতীয়টি হলো ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’। ডিজিটালাইজেশন প্রক্রিয়া নাগরিক সেবার ক্ষেত্রে যেমন নতুন মাত্রা এনেছে, তেমনি এর মাধ্যমেই বাংলাদেশ এখন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের “সোনার বাংলাদেশ” গঠনের পথে এগিয়ে চলেছে। অনলাইনে ভর্তি, পরীক্ষার ফলাফল, পাসপোর্টের আবেদন, ই-নামজারি, ডিজিটাল রেকর্ডরুম, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, অনলাইনে বিনা খরচে এবং বিনা শ্রমে আয়কর নিবন্ধন ও আয়কর বিবরণী জমাদান, অনলাইনে এবং মোবাইল আপ্লিকেশনের মাধ্যমে রেলের টিকিট ক্রয়-এগুলোর মাধ্যমে সরকারি সেবার সম্প্রসারণ ঘটেছে এবং সেবা সুবিধা পৌঁছে যাচ্ছে সাধারণের দোরগোড়ায়। বর্তমান সরকার জনগণের ক্ষমতায়নের জন্য বেছে নিয়েছে ডিজিটাল মাধ্যমগুলো যার মাধ্যমে অর্থের অপচয় যেমন কমেছে তেমনি লাঘব করেছে কায়িক শ্রম। শুধু সরকারি ক্ষেত্রেই নয়,সরকারের প্রণোদনায় বেসরকারি ক্ষেত্রে ডিজিটাল মাধ্যমের সম্প্রসারণ ঘটেছে বহুগুণে। অনলাইন পত্রিকা, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বহুমাত্রিক ব্যবহার, অনলাইন ক্রয়-বিক্রয়, অনলাইন ব্যাংকিং সুবিধা থেকে শুরু করে প্রতিদিনই নিত্য নতুন উপযোগিতার সৃষ্টি হচ্ছে। শুধু দেশ নয়, সারা বিশ্বের তথ্য ভান্ডার এখন মুঠোফোনের নাগালে। সারা দেশের মতোই সুনামগঞ্জ জেলাও এগিয়ে যাচ্ছে ডিজিটালাইজেশনের পথ ধরে। প্রান্তিক জেলা হওয়া স্বত্তে¦ও এই জেলার ১১টি উপজেলার মধ্যে ৯ টি উপজেলায় অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপন করা হয়েছে। রেকর্ড রুম ডিজিটালাইজেশনের কাজ এগিয়ে চলছে। বিভিন্ন অফিস ও দপ্তরের আন্তঃযোগাযোগের ক্ষেত্রে ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহারের মাধ্যমে সময় সংক্ষেপণ করা হচ্ছে। জেলা, উপজেলা এমনকি ইউনিয়নের ওয়েব পোর্টালগুলো নিয়মিতভাবে আপডেট করা হয়, যাতে সাধারণ মানুষ যেকোনো প্রকল্পের তথ্য, নাগরিক সেবার সুবিধা পেতে পারে। ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে স্বল্প খরচে সেবা প্রদানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসন ওয়েব পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে খুব সহজেই জনগণের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে থাকা কম্পিউটার ল্যাবের মাধ্যমে আউটসোর্সিং এর  প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

 

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি)বাস্তবায়ন, সপ্তম পঞ্চ বার্ষিক পরিকল্পনা, এমটিবিএফ (মিড টার্ম বাজেটারী ফ্রেমওয়ার্ক), ই-ফাইলিং, ই-টেন্ডারিং সহ সামগ্রিকভাবে সরকারি প্রশাসনযন্ত্র পুরোপুরিভাবেই চলে আসবে ডিজিটাল ফ্রেমওয়ার্কের মধ্যে।

 

তরুণ প্রজন্মের অফুরন্ত উদ্ভাবনী শক্তি কাজে লাগিয়ে ডিজিটালাইজেশনের জয়যাত্রা অব্যাহত রাখাই এখন আমাদের চ্যালেঞ্জ। আমি বিশ্বাস করি, এই প্রজন্মই গড়ে তুলবে ২০৪১ সালে উন্নত দেশ, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলাদেশ।


Share with :
Facebook Twitter